নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত এই দ্বীপটি পর্যটকদের কাছে যেন এক টুকরো স্বর্গ।

১. প্রাকৃতিক সৌন্দর্য (The Blue Paradise)
সেন্ট মার্টিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর স্ফটিক স্বচ্ছ নীল পানি। সমুদ্রের তলদেশের পাথর এবং বালু ওপর থেকে পরিষ্কার দেখা যায়। চারদিকে দিগন্তজোড়া নীল জলরাশি আর ওপরের নীল আকাশ মিলে এক অপার্থিব পরিবেশ তৈরি করে। সৈকত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সারি সারি নারিকেল গাছ দ্বীপটিকে এক চিরসবুজ রূপ দেয়।

২. প্রবাল এবং জীববৈচিত্র্য (Coral & Biodiversity)
এটি বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ যেখানে জীবন্ত প্রবাল দেখা যায়। দ্বীপের দক্ষিণ দিকে 'ছেঁড়া দ্বীপ' অংশে গেলে আপনি প্রবালের বিচিত্র সব রূপ দেখতে পাবেন। এছাড়া এখানে দেখা যায় সামুদ্রিক কচ্ছপ, হরেক রকমের রঙিন মাছ এবং বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল।

৩. বিশেষ আকর্ষণসমূহ
ছেঁড়া দ্বীপ: মূল দ্বীপ থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এই অংশটি জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি সেন্ট মার্টিনের সবচেয়ে সুন্দর এবং স্বচ্ছ পানির এলাকা।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: এখানকার সৈকত থেকে সাগরের বুকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা সারাজীবন মনে রাখার মতো।

রাতের আকাশ: দূষণমুক্ত পরিষ্কার আকাশ হওয়ায় রাতে এখানে কোটি কোটি নক্ষত্র দেখা যায়। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে জোছনা রাত উপভোগ করা এখানকার অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা।

৪. জীবনযাত্রা ও খাবার
দ্বীপের মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন আপনাকে মুগ্ধ করবে। এখানকার তাজা সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউ (যেমন: কোরাল, রূপচাঁদা, লবস্টার) পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া এখানকার মিষ্টি নারিকেলের পানি বা ডাব আপনার ক্লান্তি নিমেষেই দূর করে দেবে।